২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় অস্ট্রেলিয়ায় কোয়ারেন্টাইন ভেঙে এবং এক সতীর্থের সঙ্গে মদ্যপ অবস্থায় গলফ কার্ট চালিয়ে শিরোনামে আসেন নিউজিল্যান্ডের ডিফেন্ডার টিম পেইন। সিডনি কোর্টের রায়ে জরিমানা গুনতে হয়েছিল তাকে। তারপর থেকে তুলনামূলকভাবে প্রচারের আড়ালেই ছিলেন। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে মাত্র ৪৭১৫ জন ফলোয়ারের সংখ্যাও বলে দিচ্ছিল, এখনও আড়ালেই আছেন তিনি। কিন্তু এক আর্জেন্টাইন ইনফ্লুয়েন্সারের কারণে রাতারাতি বিখ্যাত বনে গেলেন পেইন।
একদিন আগেও পেইনের ফলোয়ার ছিল ৪৭০০। সেই তার ফলোয়ার সংখ্যা এখন প্রায় সাত লাখ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ৩৪ বছর বয়সী ডিফেন্ডারের উত্থানের পেছনে অবদান রেখেছেন ভ্যালেন স্কারসিনি, যিনি টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ‘এলস্কারসো’ নামে পরিচিত।
স্কারসিনি পেইনকে নিয়ে একটি ভিডিও বানিয়ে এবারের বিশ্বকাপের ‘হিরো’ বানিয়ে দিয়েছেন। স্প্যানিশ ভাষায় এক ভিডিওতে স্কারসিনি বলেন, বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম পরিচিত খেলোয়াড়কে তিনি বিখ্যাত বানাতে চান।
তাকে বলতে শোনা যায়, ‘সবচেয়ে কম পরিচিত খেলোয়াড়ের জন্য আমি বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া সব দলকেই দেখেছি। একটা একটা করে বিশ্লেষণ করার পর আমি তাকে খুঁজে পেলাম। জি গ্রুপে, নিউজিল্যান্ডের, টিম পেইন।’
তারপর পেইনকে ট্যাগ করে তার পোস্টে লাইক ও কমেন্টের অনুরোধ জানান স্কারসিনি। তারপর হু হু করে বাড়তে থাকে ফলোয়ারের সংখ্যা। এখন তার ফলোয়ার সাড়ে ৬ লাখের উপরে। ওয়েলিংটন ফিনিক্স ও অল হোয়াইটস ডিফেন্ডার পেছনে ফেলেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সোন, অল ব্ল্যাকস রাগবি তারকা আর্ডি সাভিয়াকে, এমনকি স্কারসিনিও পিছিয়ে গেছেন।
হঠাৎ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলোয়ার বেড়ে যাওয়ায় হতভম্ব পেইন। এর নেপথ্য নায়ককে খুঁজে পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৫০ ম্যাচ খেলা এই ডিফেন্ডার, ‘আমি আশ্চর্য হয়ে ভাবছিলাম, আমার সোশ্যাল মিডিয়ার ফলোয়ার এত হলো কীভাবে, তারপর তোমার পোস্ট খুঁজে পেলাম। ভালোবাসা নিও, ধন্যবাদ ভাই।’
এ জাতীয় আরো খবর..