✕

সর্বশেষ :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার খোলা থাকবে কিনা, যা জানা গেল শেষ মুহূর্তে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, শুক্রবার বাজবে ঢাকের বাদ্য ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি পৃথক অভিযানে ভায়াগ্রা ও নিষিদ্ধ ক্রিমসহ কোটি টাকার পণ্য জব্দ উত্তরায় সড়ক ছাড়লেন শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক কৃষি উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে আগ্রহী কানাডা বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে: শিল্প সচিব

মাছের আঁশে দিন-বদলের স্বপ্ন!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৪-১২-২৮, | ০৬:৫৭:২৩ |

মাছের আঁশ এখন আর আবর্জনা নয়। এই আঁশ দিয়েই নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন মাছকাটার পেশায় নিয়োজিত শ্রমিকরা। মাছের আঁশ বিক্রি করে বাড়তি আয় দিয়ে নিজেদের সংসারে ফিরিয়ে আনছেন সুদিন তারা।

রপ্তানিখাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৭ হাজার ২৭৮ টন মাছের আঁশ উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে ৯০ ভাগই রপ্তানি হয়। মূলত জাপান, হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও চীনে এসব আঁশ রপ্তানি হয়। প্রতি টন আঁশ ৩৫০-৪৭০ ডলারে বিক্রি হয়।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বিশ্বব্যাপী মাছের আঁশের নানা ব্যবহার রয়েছে। মাছের আঁশে থাকে কোলাজেন যা খাদ্য, ওষুধ, ফুড সাপ্লিমেন্ট ও কসমেটিকস শিল্পে ব্যবহার হয়। কোলাজেন নামক একটি পণ্য বিক্রি হয় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। চীন ও জাপানে এ আঁশ ব্যবহার করে বায়ো পাইজোইলেকট্রিক ন্যানো জেনারেটর তৈরি করা হয়, যেগুলো দ্বারা রিচার্জেবল ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়া যায়।

ঘরোয়া বিদ্যুৎ উৎপাদনেও এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়া মাছের আঁশ ব্যাটারি তৈরি, বৈদ্যুতিক পণ্য, কৃত্রিম কর্নিয়া, মাছ ও পোলট্রি খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..