✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১০-৩১, | ১৭:৫৯:৩৭ |মাইকে ঘোষণা দিয়ে শেরপুরের দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
শনিবার সকালে সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের ডাকপাড়া ব্যাঙের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভোর ৬টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখেন দুই গ্রামের লোকজন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই বাজারে ডাকপাড়া এলাকার এক কৃষকের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই কৃষককে মারধর করা হয়। এ নিয়ে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে শুক্রবার রাতে দুই পক্ষই মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করার উদ্যোগ নেয়।
শনিবার সকালে দুই গ্রামের লোকজন শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার ও শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, শুক্রবার কাঁচাবাজারে একটি ভ্যানগাড়ির সঙ্গে ঘষা লাগাকে কেন্দ্র করে মারামারির সূত্রপাত হয়। পরে দুই গ্রামের লোকজন মাইকে ঘোষণা দিয়ে শনিবার সকালে জড়ো হওয়ার কথা জানান। পুলিশ ভোর থেকেই ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল। এর মধ্যে হঠাৎ দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হলে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তবে এখন পরিস্থিতি শান্ত। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।