নতুন জুতা পরে প্রথমবার হাঁটাহাটি করার সময় অনেকেরই গোড়ালি কিংবা পায়ের বুড়ো আঙুলের চামড়া উঠে রক্তাক্ত হয়ে যায়। পায়ে ফোস্কা পরলে অেনেকেই সাথে সাথে ব্যান্ডেজ লাগান। এতে সাময়িক ব্যথা কমলেও মূল সমস্যার সমাধান হয় না। জুতা পরার পর ফোস্কা যাতে না পরে তার সমাধান চাইলে আগেই নেওয়া যায়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, চামড়ার সঙ্গে জুতার অতিরিক্ত ঘর্ষণের ফলেই এই ফোস্কা বা ‘শু বাইট’ তৈরি হয়। এ কারণে নতুন জুতা পরে বেরোনোর আগে ঘরোয়া তিন উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। যেমন-
পেট্রোলিয়াম জেলি বা নারকেল তেল : নতুন জুতা পরার আগে প্রথম কয়েকবার এটার শক্ত হিল বা ভেতরের কোণাগুলোতে ভালো করে পেট্রোলিয়াম জেলি সারারাত মাখিয়ে রেখে দিন। জেলের আর্দ্রতা জুতার চামড়াকে নরম করে তোলে। এছাড়া জুতো পরার আগে পায়ের যেসব অংশে ঘর্ষণ বেশি হয়, যেমন গোড়ালি বা আঙুলের পাশে সামান্য নারকেল তেল লাগিয়ে নিতে পারেন। এটি চামড়ার ওপর একটি সুরক্ষাকবচ তৈরি করে। যার ফলে জুতার চামড়া সহজে পায়ে কামড়ে বসতে পারে না।
ট্যালকম পাউডার : পায়ে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণে জুতার ভেতরের অংশের সঙ্গে ঘর্ষণ অনেক বেড়ে যায়। এতে পায়ে ফোস্কা পড়ে। এই সমস্যার সমাধানে ট্যালকম পাউডারের জুড়ি নেই। জুতা পায়ে দেওয়ার আগে পায়ে এবং জুতার ভেতরে সামান্য পরিমাণে পাউডার ছড়িয়ে নিন। পাউডার পায়ের বাড়তি আর্দ্রতা বা ঘাম শুষে নেয় এবং পা শুষ্ক রাখে। এর ফলে চামড়া ও জুতার ঘর্ষণ কমে পায়ে ফোস্কা পড়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
সাবানের টুকরো : শুনতে কিছুটা অদ্ভুত লাগলেও জুতোর কামড় থেকে বাঁচতে খুব ভালো কাজ করে কাপড় কাচার বা গায়ে মাখার শক্ত সাবান। নতুন জুতার যে অংশগুলো একটু বেশি শক্ত বা ধারালো মনে হয়, সেখানে শুকনো সাবানের টুকরো ভালো করে ঘষে দিন। সাবানের পিচ্ছিল ভাবের কারণে জুতিার ভেতরের অংশটি মসৃণ হয়ে যায়। এর ফলে জুতা পায়ে দিয়ে হাঁটলেও তা চামড়ায় ঘষা খায় না । তখন ফোস্কা পড়া ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। সূত্র: টিভিনাইন
এ জাতীয় আরো খবর..