এবার ইউরোপে মিলবে তাইওয়ানের বিখ্যাত প্রিমিয়াম আম

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৬, | ১৪:০৮:৪৮ |
তাইওয়ানের প্রিমিয়াম মানের আম এবার প্রথমবারের মতো ইউরোপের বাজারে রফতানি হচ্ছে।

চলতি বছর থেকেই দেশটি ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যে আম পাঠানো শুরু করেছে। এর মাধ্যমে ইউরোপের ফলের বাজারে নতুন ক্রেতা তৈরির আশা করছে তাইওয়ান। খবর রয়টার্স।

ইউরোপের দেশগুলো সাধারণত ভারত ও পাকিস্তান থেকে আম আমদানি করে। তবে তাইওয়ানের ফল রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ন্যাচারাল হাউজ তাইওয়ানের প্রধান নির্বাহী ডেভিড চেনের দাবি, স্বাদ ও গুণগত মানের দিক থেকে তাইওয়ানের আম সহজেই প্রতিযোগিতা করতে পারবে। দাম তুলনামূলক বেশি হলেও ক্রেতারা ভালো মানের ফল কিনতে আগ্রহী।


তাইওয়ান মূলত উন্নত সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তবে দেশটির কৃষিপণ্যেরও দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনামলে তাইওয়ান আনারস ও কলাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য রফতানি করত। পরে ১৯৬০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা মিষ্টি স্বাদের ‘ইরউইন’ জাতের আমের চাষ শুরু হয়। বর্তমানে আড়াই কেজি ইরউইন আমের দাম প্রায় ১১৮ পাউন্ড।

পূর্বাঞ্চলের তাইতুং অঞ্চলের কৃষক ইউ সাং-ফু গত ১৫ বছর ‘সামার স্নো’ জাতের সংকর আম চাষ করছেন। চলতি বছর পরীক্ষামূলকভাবে তিনি ইউরোপে পাঁচ বাক্স আম পাঠিয়েছেন। এসব আম ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কঠোর মানদণ্ড মেনে রফতানি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তাইওয়ান সরকার নতুন রফতানি বাজার খুঁজতে কৃষকদের উৎসাহ দিচ্ছে। চীন অতীতে আনারস, কাস্টার্ড অ্যাপল (আতা ফল), ওয়াক্স অ্যাপল (জামরুল) ও আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের অভিযোগ, বেইজিং ফল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞাকে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যদিও চীনের দাবি, এসব নিষেধাজ্ঞা উদ্ভিদ স্বাস্থ্য সুরক্ষার কারণেই দেয়া হয়েছে।

কৃষক ইউ সাং-ফু মনে করেন, ইউরোপের ভোক্তারা তাইওয়ানের আম পছন্দ করবেন। ‘স্নো ম্যাঙ্গো’ তাইওয়ানের সেরা আম ও এটি আমের জগতে ‘লুই ভিতোঁ’র মতো প্রিমিয়াম পণ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তাইওয়ান সরকার নতুন রফতানি বাজার খুঁজতে কৃষকদের উৎসাহ দিচ্ছে। চীন অতীতে আনারস, কাস্টার্ড অ্যাপল (আতা ফল), ওয়াক্স অ্যাপল (জামরুল) ও আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের অভিযোগ, বেইজিং ফল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞাকে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যদিও চীনের দাবি, এসব নিষেধাজ্ঞা উদ্ভিদ স্বাস্থ্য সুরক্ষার কারণেই দেয়া হয়েছে।

কৃষক ইউ সাং-ফু মনে করেন, ইউরোপের ভোক্তারা তাইওয়ানের আম পছন্দ করবেন। ‘স্নো ম্যাঙ্গো’ তাইওয়ানের সেরা আম ও এটি আমের জগতে ‘লুই ভিতোঁ’র মতো প্রিমিয়াম পণ্য।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..