✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০৪, | ২২:৫৪:১৬ |ফুটবল বিশ্বকাপে গোলদাতারা যতটা আলোচনায় থাকেন, গোলরক্ষকদের অবদানও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। একটি ক্লিন শিট অনেক সময় ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়, আবার টুর্নামেন্ট জয়ের ভিত্তিও গড়ে দেয়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ক্লিন শিটের রেকর্ড এখনো যৌথভাবে ধরে রেখেছেন ফ্রান্সের ফ্যাবিয়ান বার্টেজ এবং ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পিটার শিলটন।
দুজনই ১৭টি করে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন এবং ১০টি করে ম্যাচে কোনো গোল হজম করেননি। বার্টেজ ১৯৯৮ বিশ্বকাপে পাঁচটি, ২০০২ সালে একটি এবং ২০০৬ সালে চারটি ক্লিন শিট রাখেন। পুরো বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে তিনি গোল হজম করেছেন মাত্র আটটি। অন্যদিকে পিটার শিলটন ১৯৮২ বিশ্বকাপে চারটি, ১৯৮৬ সালে তিনটি এবং ১৯৯০ সালে তিনটি ক্লিন শিট রেখে এই রেকর্ড গড়েন।
আটটি ক্লিন শিট নিয়ে তাদের পরেই রয়েছেন নেদারল্যান্ডসের জ্যান জংব্লোয়েড, ব্রাজিলের লিয়াও, বেলজিয়ামের থিবো কুর্তোয়া, পশ্চিম জার্মানির সেপ মেয়ার, ব্রাজিলের ক্লদিও তাফ্যারেল এবং ফ্রান্সের হুগো লরিস। এর মধ্যে মাত্র ১২ ম্যাচে আটটি ক্লিন শিট রেখে তালিকায় সেরা ক্লিন শিট অনুপাতের মালিক জংব্লোয়েড।
সক্রিয় গোলরক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন থিবো কুর্তোয়া। বেলজিয়ামের এই তারকা ১৮ বিশ্বকাপ ম্যাচে আটটি ক্লিন শিট করেছেন এবং চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপেও নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন।
সাতটি ক্লিন শিট নিয়ে পরের সারিতে রয়েছেন ব্রাজিলের অ্যালিসন বেকার, যিনি এখনও সক্রিয় আছেন খেলায়। ব্রাজিলের গিলমার এবং স্পেনের কিংবদন্তি ইকার ক্যাসিয়াস। মাত্র ১৩ ম্যাচে সাতটি ক্লিন শিট করে অ্যালিসনের গোল হজমের গড় ০ দশমিক ৫৪, যা তার ধারাবাহিকতার প্রমাণ। অন্যদিকে ২০১০ বিশ্বকাপে স্পেনকে শিরোপা জেতাতে ক্যাসিয়াস একাই পাঁচটি ক্লিন শিট উপহার দেন।
চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে কুর্তোয়া ও অ্যালিসনের সামনে সুযোগ রয়েছে নিজেদের ক্লিন শিটের সংখ্যা আরও বাড়ানোর। তবে আপাতত বিশ্বকাপ ইতিহাসে ১০টি ক্লিন শিট নিয়ে শীর্ষস্থান যৌথভাবে ধরে রেখেছেন ফ্যাবিয়ান বার্টেজ এবং পিটার শিলটন।