✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

শাওয়ালের ৬ রোজা রাখার নিয়ম ও ফজিলত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৪, | ১৩:০৬:৩৯ |
রমজানের পরের মাস শাওয়াল। পবিত্র রমজান মাসজুড়ে যারা সিয়াম পালন করেছেন, শাওয়াল মাসে তারা ছয়টি নফল রোজা রাখলেই মিলবে সারাবছর রোজা রাখার সওয়াব। এ ছয়টি রোজা রাখা মোস্তাহাব।

বিশুদ্ধ হাদিসে হজরত আবু আইয়ূব আনছারী রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে মাহে রমজানের রোজা রাখল এরপর শাওয়ালে ছয়টি রোজা রাখল, এটি তার জন্য সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য হবে। (সহিহ মুসলিম : ১১৬৪, জামে তিরমিজি : ৭৫৯, সুনানে আবু দাউদ : ২৪৩৩)

রমজান মাস ও শাওয়ালের ছয় দিন রোজা রাখলে কীভাবে পুরো বছর রোজা রাখার সওয়াব হবে, এর বিবরণ এসেছে আরেক হাদিসে।

ছাওবান রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজান মাসে রোজা রাখা দশ মাস রোজা রাখার সমান এবং শাওয়ালে ছয় দিন রোজা রাখা দুই মাস রোজা রাখার সমান। সুতরাং রমজান ও ছয় রোজা মিলে এক বছরের রোজার সমান। (সুনানে কুবরা, নাসাঈ : ২৮৭৩, সহীহ ইবনে খুযায়মা : ২১১৫, মুসনাদে আহমাদ : ২২৪১২, সুনানে কুবরা, বায়হাকি : ৪/২৯৩)

হাদিসটির আরেক বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহ তাআলা এক নেকিকে দশ নেকির সমান করেছেন। সুতরাং (রমজানের) এক মাস (রোজা রাখা) দশ মাসের সমান। আর সাথে ঈদুল ফিতরের পরে ছয় দিন রোজা রাখা সারা বছর রোজা রাখার সমান। (সুনানে নাসাঈ : ২৮৭৪)


শাওয়ালের ৬ রোজা রাখার নিয়ম

হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাওয়াল মাসের প্রথমদিকে, মধ্যভাগে বা শেষাংশে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখার কথা বলেননি। আবার রোজা ছয়টি লাগাতার রাখার নির্দেশনাও হাদিসে পাওয়া যায় না।

তাই শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিনটি বাদ দিয়ে মাসের যেকোনো ছয়দিনে রোজা রাখলেই নির্ধারিত ফজিলত পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে রোজাগুলো ধারাবাহিকভাবে একত্রে রাখা যায়, আবার বিরতি দিয়েও রাখা যায়। ( লাতাইফুল মাআরিফ : ৪৮৯, বাদায়েউস সানায়ে : ২/২১৫, আলমাজমূ : ৬/৪২৬-৪২৭, আলমুহীতুল বুরহানী : ৩/৩৬২, ফাতহুল মুলহিম : ৩/১৮৭, আলমুগনী : ৪/৪৩৮)

উল্লেখ্য, যাদের কাজা রোজা আছে, অসুস্থতা কিংবা নারীদের হায়েজ-নেফাসের কারণে রমজানের রোজা অপূর্ণ থাকে, তাদের জন্য নিয়ম ও করণীয় হলো, শাওয়াল মাসে তাদের ভাংতি রোজাগুলো আগে পূর্ণ করে নেবে, তারপর তারা শাওয়ালের ৬ রোজা পালন করবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..