মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সংকেত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সিএনএন-এর ম্যাট এগান এক বিশেষ বিশ্লেষণে জানিয়েছেন, এই সংঘাতের ফলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে, যা সরাসরি বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে ‘হরমুজ প্রণালী’। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়। যদি ইরান এই প্রণালীটি বন্ধ করে দেয় বা সেখানে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, তবে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ এক ধাক্কায় অনেক কমে যাবে। এর ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
বর্তমানের এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন। তেলের খনি বা শোধনাগারগুলোতে সরাসরি কোনো হামলা হলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীলতা কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং একটি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন।
এ জাতীয় আরো খবর..