ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মেয়র পদে লড়বেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণে আসিফ মাহমুদ এবং উত্তরে আরিফুল ইসলাম আদীব নির্বাচন করবেন।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই তথ্য জানাজানি হয়। পরে এনসিপি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, এনসিপির প্রাথমিক বাছাইয়ে এই দুইজনকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঠিক করা হয়েছে।
আসিফ মাহমুদের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে এনসিপি থেকে মেয়র পদে লড়বেন আসিফ মাহমুদ।
অন্যদিকে, নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে নিশ্চিত করে আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, আমাদের দলের প্রাথমিক আলোচনায় আমি ও আসিফ মাহমুদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এসেছে । চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।
অন্য দিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে ইসির বক্তব্য বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেন মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
ওই পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া লিখেছেন, সিটি নির্বাচনসহ যেকোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না। উপদেষ্টা থাকাকালীন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হয়েছে। সুতরাং দলীয় প্রতীক ও মনোনয়ন ছাড়াই অংশগ্রহণ করা যাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে।
ওই পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া লিখেছেন, সিটি নির্বাচনসহ যেকোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না। উপদেষ্টা থাকাকালীন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হয়েছে। সুতরাং দলীয় প্রতীক ও মনোনয়ন ছাড়াই অংশগ্রহণ করা যাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে।
তিনি আরও লিখেছেন, এ বিষয়ে আজকে ইসির বক্তব্য বিভ্রান্তিকর। রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ এবং মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার ভিত্তিতেই এই সংস্কার বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ইসিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন-সংক্রান্ত আইনগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন পূর্বক মন্তব্য করার অনুরোধ থাকবে।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, ‘আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হবে কি না, তা এখন নির্ভর করছে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের ওপর। যেহেতু বর্তমান সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই দলীয় প্রতীকের বিধান থাকা বা না থাকার বিষয়টি মূলত দলটির ওপরই নির্ভর করছে।’
এ জাতীয় আরো খবর..