ডিসিসিআই সভাপতি-পাকিস্তান হাইকমিশনার সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য-বিনিয়োগে ব্যক্তিখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বেসরকারিখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বুধবার বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দীকির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকা চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি এনকেএ মবিন, সহসভাপতি মনোয়ার হোসেন এবং পাকিস্তান দূতাবাসের কমার্শিয়াল সেক্রেটারি মোহাম্মদ সুলেমান খান উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সংখ্যক উদ্যোক্তা ঢাকা চেম্বার আয়োজিত ‘ডিসিসিআই বিজনেস কনক্লেভ ২০২১’-এর বিটুবি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ডিসিসিআই প্রতিবছরই এ ধরনের আয়োজন করবে।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, সম্প্রতি পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা প্রাপ্তিতে বিদ্যমান সকল বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি উল্লেখ করেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৪৩.৯০ মিলিয়ন ডলার। দুদেশের মধ্যকার ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা নিরসন এবং উভয় দেশের বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার ওপর জোর দেন তারা।
এদিকে পাকিস্তান দূতাবাসের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের বৈশ্বিক সূচকগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ আশাব্যঞ্জক। ফলে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সুনাম ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি ‘যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন’ স্থাপন করা হয়েছিল, যার সর্বশেষ সভা ২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত হয়।