সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন, থাকছে যেসব বিষয় ইউরোপের বাইরে খেলা মেসি কি ব্যালন ডি’অর জিততে পারবেন? দুই দশক পর আবারও পর্দার সেই জাদুকরি গল্প স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাই স্লুইসগেট রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধের মধ্যে সরকারে বড় পরিবর্তন, চাপে জেলেনস্কি ঝালকাঠিতে হাত বাঁধা অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, দুই ফ্ল্যাটে চুরি মার্কিন হামলায় ইরানের জাস্ক কাউন্টির ১০ হাজার মানুষ পানিহীন ঝুঁকিতে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল! ট্রাম্পের শুল্ক নীতি কি রুখতে পারবে ধোঁয়া? মেসিকে থামানোর কৌশল জানালেন স্পেন অধিনায়ক ভীত না হয়ে সতীর্থদের জয়ের জন্য খেলতে বললেন স্পেন অধিনায়ক

সেই শিশুই আজ প্রতিপক্ষ, ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে যা বললেন মেসি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৮, | ১৩:১২:১৭ |

২০০৭ সালে বার্সেলোনার একটি চ্যারিটি ফটোশুটে মাত্র পাঁচ মাস বয়সী লামিন ইয়ামালকে গোসল করাতে সাহায্য করেছিলেন লিওনেল মেসি। প্রায় দুই দশক পর সেই ছবিই আবার আলোচনায়। কারণ, এবার বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমবারের মতো মাঠে প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছেন মেসি ও ইয়ামাল।

৩৯ বছর বয়সী মেসির সামনে আর্জেন্টিনার হয়ে আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ। অন্যদিকে ১৯ বছর বয়সী ইয়ামাল স্পেনকে শিরোপা জেতানোর স্বপ্ন দেখছেন। এই ম্যাচের আগে নিউইয়র্কে সেই ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে কথা বলেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, ছবিটা একদম পাগলামির মতো। তখন ও শিশু ছিল, আমরা একসঙ্গে একটি ছবি তুলেছিলাম। আর আজ আমরা বিশ্বকাপের ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি। এটাই তো জীবন।’

ইয়ামালকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘লামিন অসাধারণ প্রতিভাবান। আমি ওকে খুব কাছ থেকে অনুসরণ করি, কারণ ও এমন একটি ক্লাবে খেলে যাকে আমি ভালোবাসি। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠেছে। ওর সামনে ইতিহাস গড়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে। তবে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যেন এবার সেটা ও করতে না পারে। আমি শুধু ওর জন্য শুভকামনা জানাতে পারি।’

মেসি আরও বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, এই মুহূর্তে ও বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। ওর সাফল্য কামনা করি, কারণ ওর ভালো হওয়া মানেই বার্সেলোনার ভালো হওয়া।’

২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাউই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো প্রকাশ করলে তা নতুন করে আলোচনায় আসে। পরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, ‘হতেও পারে লামিনই লিওকে সেই প্রতিভার ছোঁয়া দিয়েছিল। আমার কাছে আমার ছেলেই সেরা।’

ছবিগুলোর আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট জানান, ২০০৭ সালে ইউনিসেফ ও স্থানীয় সংবাদপত্র দিয়ারিও স্পোর্ট-এর যৌথ উদ্যোগে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, তখন কেউ কল্পনাও করতে পারেননি যে একদিন এই দুইজন বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে বড় আকর্ষণে পরিণত হবেন।

সূত্র: মুন্ডো দেপোর্তিভো, দ্য অ্যাথলেটিক

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..