সর্বশেষ :
বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে জন্মদিনে বিজয়কে রোমান্টিক শুভেচ্ছাবার্তা তৃষার রোনালদোর গোলের অপেক্ষায় পর্তুগাল, বিদায়ের শঙ্কায় উজবেকিস্তান উজবেকিস্তান ম্যাচে চাপে পর্তুগাল, পরিসংখ্যান কী বলছে? গ্রুপ সেরার লড়াইয়ে রাতে মুখোমুখি ইংল্যান্ড-ঘানা মালয়েশিয়ার বন্ধুত্বে আমরা গভীরভাবে অভিভূত: প্রধানমন্ত্রী আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন উপলক্ষে তেহরানে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’ কার্যকরে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’— তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাসের জানালা দিয়ে মাথা বের করায় কাল হলো সুমাইয়ার বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রার শঙ্কা, সতর্কবার্তা নাসার

বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত, তীব্র নিন্দা এরদোগানের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১১, | ১২:৫৫:২৬ |
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর মৃত্যুদণ্ড আরোপের বিষয়ে ইসরায়েলি নেসেটের (পার্লামেন্ট) সিদ্ধান্ত "মৌলিকভাবে ইহুদিদের বিরুদ্ধে হিটলারের নীতির চেয়ে আলাদা কিছু নয়।" শুধু ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাকে 'বর্ণবাদ' আখ্যা দিয়ে এরদোগান বলেন, এই পদক্ষেপ আইনকে 'বর্ণবাদী ফ্যাসিবাদের হাতিয়ারে' পরিণত করে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজ (আইসিএপিপি) উইমেন্স উইং-এর এক বৈঠকে এরদোগান বলেন, "যা করা হচ্ছে তা বৈষম্য; এটি বর্ণবাদ। এর মানে হলো ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় যে বর্ণবাদী সরকার উৎখাত হয়েছিল, ইসরায়েলে তার চেয়েও খারাপ সংস্করণের বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "ইহুদিদের প্রতি হিটলারের দানবীয় নীতি এবং ইসরায়েলি পার্লামেন্ট মহা সমারোহে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে কি কোনো মৌলিক পার্থক্য আছে? এসব কি ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে অস্বীকৃতি, ধ্বংস, নিপীড়ন এবং রাজনৈতিক মৃত্যুদণ্ডের নীতির নতুন প্রকাশ নয়?"

এরদোগান উল্লেখ করেন, তুরস্ক যে মধ্যপ্রাচ্যের অংশ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই অঞ্চলটি বেদনাদায়ক, কঠিন এবং অন্ধকার দিন পার করছে। "দুর্ভাগ্যবশত, একটি সংঘাত ও সংঘর্ষ শেষ হওয়ার আগেই আরেকটি শুরু হয়। আর সাধারণত নারী ও নিষ্পাপ শিশুরাই এর সবচেয়ে বড় শিকার হয়। গাজায় ইসরায়েলের হাতে নির্মমভাবে নিহত ৭২ হাজারেরও বেশি বেসামরিক নাগরিকের বিশাল অংশই নারী ও শিশু। আমাদের প্রতিবেশী সিরিয়ায় সাড়ে ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধে যারা সবচেয়ে বেশি মূল্য দিয়েছে, তারাও নারী ও শিশু," বলেন এরদোগান।

তিনি আরও যোগ করেন, "আরেক প্রতিবেশী দেশ ইরানে হামলার প্রথম শিকারদের মধ্যেও নারী ও শিশুরাই ছিল। যুদ্ধের শুরুর দিকে মিনাবের একটি স্কুলে বিমান হামলায় ১৬৫ জনেরও বেশি নিষ্পাপ শিশুর মৃত্যু হয়। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও, লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ এবং দখলদারি নীতি নারী ও শিশুদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।"

লেবানন পরিস্থিতি তুলে ধরে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, "দেখুন, গত ২ মার্চ থেকে বেসামরিক আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলের হামলার কারণে ১২ লাখ লেবানিজকে তাদের বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছে। এসব হামলায় ১,৫০০-এর বেশি লেবানিজ ভাই-বোন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৪,৭০০ জন আহত হয়েছেন।" "যুদ্ধবিরতি ঘোষণার দিনই ইসরায়েল ২৫৪ জন লেবানিজকে নির্মমভাবে হত্যা করে। রক্ত ও ঘৃণায় অন্ধ এই গণহত্যার নেটওয়ার্ক নিষ্পাপ শিশু ও নারীদের হত্যা অব্যাহত রেখেছে," ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এরদোগান।

সূত্র: আনাদোলু

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..