✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

উনারা সংস্কার মানেন, কিন্তু সংস্কারকে বৈধতা দিতে চান না : ডা. তাহের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৮-০৪, | ০৪:১৮:৫৭ |

সংস্কার নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দলের অবস্থানকে দ্বিমুখী ও আত্মঘাতী উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, তারা মুখে সংস্কার মানে, কথায় কথায় প্রতিশ্রুতি দেয়; কিন্তু সেই সংস্কারকে আইনগত ভিত্তি দিতে চায় না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বৈধতা না থাকে, তাহলে তা কীভাবে কার্যকর হবে?

সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. তাহের বলেন, কিছু দল বলছে, ‘আমরা সব সংস্কার মানী, সাইন করে দিতেও সমস্যা নেই’। মনে হয় তারা খুব সংস্কারপন্থি, খুবই ভালো মানুষ। কিন্তু এরপরই বলছে, এটাকে আইনগত ভিত্তি দিতে হবে না। তাহলে তো তাদের বক্তব্য দাঁড়ায়—‘আমি সালিশ মানী, কিন্তু তালগাছ আমার’। একদিকে ওয়াদা করবে, আবার বলবে—‘ওয়াদা ভঙ্গ করব না।’ অথচ কার্যকর করার জন্য যে আইনগত কাঠামো দরকার, সেটি মানতে রাজি নয়।

সংস্কারের আইনি ভিত্তি না থাকলে বাস্তবায়ন অসম্ভব, এমনটা জানিয়ে জামায়াত নায়েবে আমির বলেন, আমরা রক্ত দিয়েছি, জীবন দিয়েছি। তাই শুধু স্বীকৃতিই যথেষ্ট নয়। পঙ্গুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, বঞ্চিতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবং সবচেয়ে জরুরি হলো—এত বড় আন্দোলনের চূড়ান্ত অর্জন যেন বাস্তবে বাস্তবায়িত হয়।

তিনি আরও বলেন, একটা দল বলছে, আমরা সব সংস্কার মানী। কিন্তু তারা চার্টারে সই করতে চায় না, আইনি কাঠামো চায় না। তারা কেবল প্রতিশ্রুতির ভরসায় জনগণকে বোঝাতে চায়—যে আমরা ‘ওয়াদা করছি, ভঙ্গ করব না।’ এটা জনগণ মেনে নেবে—এমন চিন্তা করে থাকলে সেটা ভয়ংকর আত্মপ্রবঞ্চনা।

সংস্কারের আইনগত ভিত্তি ও জাতীয় ঐক্যের জন্য সব পক্ষকে দায় নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫–১৬ বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংগ্রাম করেছে, ত্যাগও দিয়েছে। কিন্তু তারা সেমিফাইনাল পর্যন্ত খেলতে পেরেছে, ফাইনাল খেলেছে জনগণ। নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্ররা। এটাই আন্দোলনের প্রকৃত রূপ—সামষ্টিক অংশগ্রহণ।

ডা. তাহের বলেন, পৃথিবীতে অনেক আন্দোলন হয়েছে, কিন্তু এই আন্দোলনের আলাদা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে—এখানে সবাই অংশ নিয়েছে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স তো ছিলই, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। শিশুরাও রাস্তায় নেমেছে। একদিন দেখেছি, একজন মা কোলে শিশু নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। এই বিপ্লবে তাই সবার অংশগ্রহণ রয়েছে। এরকম সর্বজনীন অংশগ্রহণ এই দেশের ইতিহাসে বিরল।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..