✕

সর্বশেষ :
স্পেসএক্স-টেসলা একীভূতকরণে বিশেষ কমিটি গঠন গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা, দুই শিশুসহ নিহত ৭ প্রযুক্তির সহায়তায় পরিবেশবিরোধী অপরাধ, ঝুঁকিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠী সুদানের ড্রোন হামলায় নিহত বেড়ে ১৫৩, ঘরছাড়া ৮ হাজার মানুষ ব্যালন ডি’অর ঘিরে বায়ার্নের রহস্যময় পোস্ট, আলোচনায় কেইন চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধানকেই ছাটাই করল নেটফ্লিক্স যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস, বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেফতার ‘এআই মন্ত্রী’ নিয়োগ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রাজনীতি : আলবেনিয়া কি ইইউ’র পরীক্ষাগার? পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের শত্রুর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে ইরান: রিপোর্ট

ব্যাংক খাত থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলার লুটের অভিযোগ তিতুমীরের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-২১, | ১৫:০৬:০০ |

আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাংক খাত থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলার লুট করে রেখে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে জেলায় কর্মরত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, "সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে প্রবৃদ্ধির ধারা নিম্নমুখী হবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এমন তথ্য ভুল ও অপতথ্য। সরকার নিজেই সংস্কার কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে। ব্যাংক খাত ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করা হয়েছে।"

তিনি বলেন, "এই প্রথম সরকার নিজস্ব সংস্কার কর্মসূচির অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকও এসব অগ্রাধিকারের বিষয়ে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। এর মাধ্যমে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের বেশ কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।"

বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, "এ লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকের সহযোগিতায় বেসরকারি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ প্রবাহিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাংকব্যবস্থা দুর্বল করে রেখে গেছে। ব্যাংক খাতের তহবিলের ঘাটতি পূরণে লুট হওয়া অর্থের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে হবে। বন্ধ কলকারখানাগুলো চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দারিদ্র্য দূরীকরণে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।"

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, "বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতির কারণে দেশে দারিদ্র্য বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছেন। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের মতো উদ্যোগ দারিদ্র্য পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে এবং মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখবে।"

জ্বালানি নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, "ভুল জ্বালানি নীতির কারণে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রসার ঘটানোর সুযোগ থাকলেও আগের সরকার সেই ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সব ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে হতাশা রেখে আগের সরকার ক্ষমতা ছেড়েছে।"

মতবিনিময় সভায় রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা তথ্য কর্মকর্তা রেখা এবং জেলায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..