✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১০-২১, | ১১:২৯:২১ |সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগ, সফর এবং বার্তা বিনিময় অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম ও যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক ইব্রাহিম বিন সুলতান আল হাশমি এ কথা জানান।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই সংকটের একটি টেকসই ও তাৎক্ষণিক সমাধান কেবল সংলাপের মাধ্যমেই সম্ভব, যা এর নিষ্পত্তির একমাত্র পথ। সাপ্তাহিক গণমাধ্যম ব্রিফিং চলাকালে মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম ও যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক এমন একটি সমাধানে পৌঁছানোর জরুরি প্রয়োজনের ওপর জোর দেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে চলমান উত্তেজনার ব্যয়ভার থেকে অঞ্চল, বিশ্ব, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং জ্বালানি সরবরাহকে রক্ষা করার বিষয়ট আলোকপাত করেছেন। তিনি বলেন, এই সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, প্রচেষ্টা থেমে যায়নি। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারকে অবশ্যই আশাবাদী থাকতে হবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ চলাচল পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে গৃহীত সকল কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে তারা সমর্থন করে। হরমুজ প্রণালিতে ইন্টারনেট কেবল লক্ষ্য করে হামলার হুমকির বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই পরিচালক জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ইরানের জনগণসহ এই অঞ্চলের জনগণই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি প্রশ্ন করেন, কৌশলগত এই প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণ ঘটলে, জাহাজ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়লে বা ইন্টারনেট কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি কার হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র এই সমুদ্রপথ থেকে বিশাল দূরত্বে অবস্থিত এবং উপসাগরের জলরাশি থেকে ইসরায়েল কোনো সুবিধা পায় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানসহ এই অঞ্চলের দেশগুলোরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম ও যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক এই জলসীমার নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং একে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত থাকার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন। তিনি নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন। এছাড়াও তিনি হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা এবং সেখানে হামলা বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
সূত্র: গাল্ফ নিউজ।