✕


রামেক হাসপাতালে কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-২১, | ১১:২৮:১৭ |

প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা কারণে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে পাঁচ দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার রাতে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা. এস এম তপু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট রয়েছে। পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের অবাধ প্রবেশ এবং দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যদের অবহেলার কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রায়ই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও সংঘবদ্ধ হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।

সংগঠনটির অভিযোগ, ইতিমধ্যে একাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি রোগীর স্বজনদের হুমকির মুখে নিরাপত্তার স্বার্থে একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে সাধারণ পোশাকে ওয়ার্ড ছাড়তে হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালের পর্যবেক্ষণ কক্ষ ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু না থাকায় ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। সীমিত জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, এসব সমস্যা সমাধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে তাঁরা কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংগঠনটির পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করা, কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন স্বজনের প্রবেশের নিয়ম কার্যকর করা, রোগী ভর্তির দিন ও পরবর্তী দিন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে আনসার সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং অবিলম্বে ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু করা।

ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা. এস এম তপু বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়ে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বুধবার আমরা হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন করছি। নিরাপত্তার যথেষ্ট ঘাটতি আছে। এ ছাড়া আমাদের অন্য দাবিগুলোও যৌক্তিক। আমাদের দাবি মানলেই আমরা ডিউটিতে ফিরে যাব।’

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শামীম আহমেদ বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতি পালন করছেন। তাঁদের কাজে ফেরাতে আলোচনা চলছে।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..