✕

সর্বশেষ :
হাসিনা আমলের চোর-সন্ত্রাসী-মানি লন্ডারারদের দেশে ফেরানো অগ্রাধিকার তালিকায় নৈতিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ, ক্ষমা চাইল মেটা যে নিয়ম পরিবর্তনের ফলে বদলে যাচ্ছে একদিনের ক্রিকেট রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা! ককরোচদের ঠেকাতে আত্মপ্রকাশ করল ‘লাল হিট জনতা পার্টি’ বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্সে একদিনে গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০ প্রতিবাদের নামে তাণ্ডবের যৌক্তিকতা নেই: ফরাসি প্রেসিডেন্ট

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্সে একদিনে গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৯, | ১৪:৩০:৩৮ |
ফ্রান্সজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে সৃষ্ট ভয়াবহ সহিংসতায় একদিনে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রায় ১ হাজার জন পুলিশ ও জেন্ডার্ম আহত হয়েছেন। রোববারের (১৮ অক্টোবর) এই ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন দেশটির ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই নিয়ন্ত্রহীন সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে পুলিশের পদক্ষেপের বিষয়ে ‘পূর্ণ স্বচ্ছতা’ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। 

জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ জানান, বৈধ দাবি জানানো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ও লুটপাটে জড়িত দুর্বৃত্তদের পার্থক্য করতে হবে। তিনি সহিংসতায় যুক্ত চরমপন্থী দল ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। তবে দেশে কোনো জরুরি অবস্থা জারি করার মতো পদক্ষেপ তিনি ঘোষণা করেননি।

প্যারিসের রিপাবলিক স্কয়ারসহ লিয়ন ও অন্যান্য শহরে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপের জবাবে বিক্ষোভকারীরা ইট-পাটকেল ছোঁড়ে এবং একাধিক জায়গায় দোকানপাট লুটপাট করা হয়। সংঘাতের ফলে লিমোজেস শহরের ১৯ শতকের ঐতিহ্যবাহী সিটি হলটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

সামনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থাকায় এই রাজনৈতিক অস্থিরতা তীব্র রূপ নিয়েছে। উগ্র ডানপন্থী ন্যাশনাল র্যালি পার্টির প্রার্থী মারিন ল্য পেন এবং তার শীর্ষ সহযোগী জর্ডান বারদেলা ম্যাখোঁ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। 

অন্যদিকে হার্ড-লেফট দলের প্রধান জঁ-লুক মেলেনশঁ বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সহিংসতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করে মন্তব্য করেছেন।

সহিংসতায় বহু লোক গুরুতর আহত হয়েছেন, যার মধ্যে সাঁ-তেতিয়েনে এক ১৭ বছর বয়সী কিশোরের হাত বোমায় উড়ে যায় এবং মুলহাউসে এক কিশোরী চোখ হারায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজের পদত্যাগের দাবি ওঠায় ম্যাক্রোঁ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..