✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৯, | ০১:২৩:২৯ |মাথায় বলের আঘাত পাওয়ার পর আবারও কনকাশনের শঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভ স্মিথ। অতীতে একাধিকবার মাথায় আঘাত পাওয়ার অভিজ্ঞতা থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে এনরিখ নরকিয়ার বাউন্সারে আঘাত পাওয়ার পর পুরোনো শঙ্কা ফিরে আসে তাঁর মনে। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এই অস্ট্রেলীয় তারকা।
গত সোমবার ডারবানের কিংসমিডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা চলাকালে নরকিয়ার একটি বাউন্সার স্মিথের হেলমেটে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে তাঁর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেন দলের ফিজিও ও চিকিৎসক। নিয়ম অনুযায়ী হেলমেট পরিবর্তন করে আবারও ব্যাটিং চালিয়ে যান তিনি। ওই ইনিংসে ২৭ রান করেন স্মিথ।
রবিবার দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে নিজের উদ্বেগের কথা জানান ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যাটার।
স্মিথ বলেন, ‘সত্যি বলতে, আঘাত পাওয়ার পর আমি কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলাম। আঘাতটা বেশ জোরে ছিল। সেদিনের বাকি সময়টা ভালো কাটেনি। আমার মনে হয়, অতীতে যা অনুভব করেছি, আবারও সেই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার ভয় থেকেই এমনটা হয়েছিল। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কেমন বোধ করব, তা নিয়েও চিন্তা হচ্ছিল।’
তবে পরদিন সকালে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় স্বস্তি ফিরে পান তিনি। স্মিথ আরও বলেন, ‘সৌভাগ্যক্রমে, পরদিন সকালে ভালো বোধ করেছি। সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছি।’
প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডিংয়ের সময় মাঠে নামেননি স্মিথ। মাথায় আঘাত পাওয়ার পর কনকাশন প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় তাঁর। পরে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মাঠে ফেরেন এই অস্ট্রেলীয় ব্যাটার।
স্মিথের অবদানসহ দলের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ২১৪ রানের বড় জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা।
মাথায় আঘাত পাওয়ার ঘটনা স্মিথের জন্য নতুন নয়। ২০১৯ সালের অ্যাশেজ সিরিজে লর্ডসে ইংল্যান্ডের পেসার জোফরা আর্চারের বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনায় টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো কনকাশন বদলি খেলোয়াড়ের সুবিধা পান স্মিথ।
এরপর ২০২০ সালে ইংল্যান্ড সফরে অনুশীলনের সময়ও মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন এই ব্যাটার। অতীতের এসব অভিজ্ঞতার কারণেই নরকিয়ার বাউন্সারে আঘাত পাওয়ার পর আবারও কনকাশনের আশঙ্কা তাঁকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল।