✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ম্যারাডোনার চিকিৎসকদের ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১০, | ০১:৩৬:৩৫ |

আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিক্যাল টিমের সদস্যদের সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। বুয়েনস এইরেসের আদালতে মামলার চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে এ দাবি জানানো হয়।

২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে মারা যান ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী ম্যারাডোনা। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ওঠার সময় আর্জেন্টিনার তিগরের একটি ভাড়া বাসায় হৃদ্‌রোগ ও ফুসফুসে তরল জমার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।

চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে তৎকালীন সাতজন স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে বিচার চলছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিওপোল্ড লুকে, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনস্তত্ত্ববিদ ও নার্স। অভিযুক্তরা অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী প্যাট্রিসিও ফেরাই অভিযোগ করেন, চিকিৎসকদের অব্যবস্থাপনা গুরুতর অসুস্থ ম্যারাডোনাকে কার্যত সহায়তাহীন অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। তাঁর দাবি, চিকিৎসকেরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা নেননি।

রাষ্ট্রপক্ষ লুকের সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে অপরাধের ধরন অনুযায়ী চার থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের আবেদন করা হয়েছে।

আইনজীবীদের অভিযোগ, ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থার অবনতি সত্ত্বেও তাঁকে হাসপাতালে না রেখে বাসায় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে হাসপাতালের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাও ছিল না বলে দাবি তাঁদের। বিশেষজ্ঞ সাক্ষীরাও মৃত্যুর আগে তাঁর শরীরে বিপজ্জনক উপসর্গ দেখা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ম্যারাডোনার মৃত্যু আকস্মিক ছিল না; আগেই বিপদের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। আদালতে তাঁর মৃত্যুর আগের কিছু ছবিও দেখানো হয়। তা দেখে তাঁর দুই মেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক শেষ হতে আরও প্রায় দুই সপ্তাহ লাগতে পারে। এরপর মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। এর আগে গত বছর বিচারকের একটি প্রামাণ্যচিত্রে অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কের কারণে মামলাটি বাতিল হয়েছিল।

সূত্র: জর্নাল

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..