✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মেসির বিদায়বেলায় অঝোরে কাঁদলেন এনজো

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-০৭, | ১৪:০২:৫৭ |

লিওনেল মেসির বিদায়ী ভাষণের সময় আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না এনজো ফার্নান্দেজ। মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ের পর মেসি যখন সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলছিলেন, তখন তার পেছনে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় এনজোকে।

মেসির প্রতি এনজো ফার্নান্দেজের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা ফুটবলবিশ্বে অজানা নয়। মেসিকে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখার স্বপ্ন থেকেই একসময় তাকে নিজের আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করতেন এনজো। মেসি এর আগেও জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলে কিশোর এনজো আবেগঘন চিঠি লিখে তাকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

সেই স্মৃতিই যেন ফিরে এল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ রাতে। বিদায়ী ভাষণে মেসিকে সামনে রেখে আবেগ সামলাতে পারেননি এনজো।

মেসিকে উদ্দেশ করে নিজের পুরোনো অনুভূতির কথা স্মরণ করে এনজো বলেন, একসময় তিনি ভাবতেন, মেসির সঙ্গে আদৌ কখনো ফুটবল মাঠ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হবে কি না। তখন তিনি ছিলেন কিশোর, আর মেসি ছিলেন তার কাছে দূরের এক মহাতারকা।

কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে মেসির সতীর্থ হওয়ার পাশাপাশি তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পান এনজো।

মেসির মানবিক আচরণের কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন তিনি। এনজোর ভাষায়, জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার পর মেসি তাকে কখনো আলাদা করে দেখেননি। বরং প্রথম দিন থেকেই দলের একজন হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এনজো বলেন, মেসির সঙ্গে মাঠ ভাগ করে নেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে জাতীয় দলে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে শুধু নিজের আদর্শ খেলোয়াড়কেই পাননি, পেয়েছেন এমন একজন মানুষকে, যিনি তাকে আপন করে নিয়েছেন এবং অনেক কিছু শিখিয়েছেন।

শেষে মেসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এনজো বলেন, ছোটবেলায় যে ছেলেটি মেসির সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখত, সে কতটা ভাগ্যবান—আজ তা উপলব্ধি করতে পারছেন তিনি। মেসির গল্পের একটি অংশ হতে পারা এবং তার কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাওয়াকে জীবনের বড় সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন এনজো।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..