✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবারে উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৭, | ১৩:২৯:৪২ |

আগামী মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

প্রতিবেদনটিতে তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বৈঠকে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা গুরুত্ব পেতে পারে। ট্রাম্প ও তাঁর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের নেতা অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ট্রাম্প বৈঠক করবেন। বুধবার এ বৈঠকের জন্য প্রাথমিক আমন্ত্রণও পাঠিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বৈঠকে অন্য আরব ও মুসলিম দেশের নেতাদেরও যুক্ত করা হতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চান। তবে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো বৈঠক নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের একটি সূত্র।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় ট্রাম্প আটটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে তিনি গাজা যুদ্ধের অবসানে তাঁর প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার খসড়া তুলে ধরেন। এক সপ্তাহ পর পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। এর কিছুদিন পরই যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তি হয়।

এবারের বৈঠকের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষতির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এসব দেশের কয়েকটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এবং যুদ্ধের সময় ইরানের বড় ধরনের হামলার শিকার হয়েছে। পাশাপাশি তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় এসব দেশের অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

এর মধ্যেই বুধবার ট্রাম্প বলেছেন, ‘আশা করছি, আমরা যুদ্ধের শেষের দিকে রয়েছি।’ তিনি আবারও দাবি করেছেন, ইরান একটি চুক্তি করতে চায় এবং যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে তেহরানের কাছ থেকে সরাসরি বার্তা পেয়েছে।

হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সূত্র:অ্যাক্সিওস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..