ক্যাম্পেওনেস কাপের ফাইনালে ক্রুজ আজুলকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ইন্টার মায়ামি। তবে ট্রফি জয়ের আনন্দের মাঝেই আলোচনায় এসেছে লিওনেল মেসি ও মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) কমিশনার ডন গারবারের মধ্যে উত্তপ্ত এক মুহূর্ত।
বুধবারের ম্যাচে ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে ইন্টার মায়ামি শিরোপা নিশ্চিত করে। একই ম্যাচে ক্লাবটির হয়ে ১০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন মেসি। এটি ছিল আর্জেন্টাইন তারকার ক্যারিয়ারের ৪৮তম শিরোপা।
একাধিক প্রতিবেদনের দাবি, শিরোপা উদযাপনের সময় এমএলএস কমিশনার ডন গারবারের সঙ্গে মেসির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন-এর হারকিউলেস গোমেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, ‘এমএলএস কমিশনার ডন গারবারের ওপর মেসিকে স্পষ্টতই বিরক্ত দেখা গেছে। ক্যাম্পেওনেস কাপ ট্রফি উদযাপনের পর তিনি একবার নয়, দুইবার তার মুখোমুখি হন।
’
তবে কী নিয়ে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ম্যাচে অবশ্য আলো ছড়িয়েছেন মেসি নিজেই। ২৪তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজের ক্রস থেকে হেডে গোল করে ইন্টার মায়ামির হয়ে নিজের ১০০তম গোল পূর্ণ করেন তিনি।
ইন্টার মায়ামির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১৫ ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছান ৩৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মজার বিষয়, ক্লাবটির হয়ে তার প্রথম গোলটিও এসেছিল ক্রুজ আজুলের বিপক্ষেই।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে ইন্টার মায়ামির হয়ে অভিষেক ম্যাচে যোগ করা সময়ে ফ্রি-কিক থেকে গোল করেছিলেন মেসি। সেই গোলেই ক্রুজ আজুলকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল মায়ামি।
এদিন মেসির সঙ্গে গোলের তালিকায় নাম লেখান কাসেমিরোও। ৮১তম মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে হেডে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার।
কাসেমিরোর জন্য এটি ছিল টানা পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ গোল, যার সবগুলোই এসেছে হেড থেকে। এর আগে শনিবার ন্যাশভিলের বিপক্ষে গোল না পেলেও তার আগে টানা তিন ম্যাচে সিএফ মন্ট্রিয়ল, আটলান্টা ইউনাইটেড ও শিকাগোর বিপক্ষে গোল করেছিলেন তিনি।
মেসি ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার মাত্র তিন বছরের মধ্যেই ক্লাবটির ট্রফি ক্যাবিনেটে যোগ হয়েছে একাধিক শিরোপা। ২০২৩ সালে লিগস কাপ, ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স শিল্ড এবং ২০২৫ সালে এমএলএস কাপ জয়ের পর এবার ক্যাম্পেওনেস কাপও জিতল ফ্লোরিডার ক্লাবটি।
এ জাতীয় আরো খবর..