✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করতে না পারার আক্ষেপ হ্যাজলউডের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০২, | ১৩:৫৭:৩৯ |

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে গিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে যায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে ম্যাকেতে দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৫১ রানের জয় তুলে নিয়ে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে অস্ট্রেলিয়া।

সিরিজ ড্র হলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ করতে না পারার আক্ষেপ রয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার পেসার জশ হ্যাজলউডের। সিডনিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে জেতাই ছিল তাদের প্রত্যাশা।

হ্যাজলউড বলেন, “বাংলাদেশ সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করাটা প্রত্যাশিত ফল ছিল না। অবশ্যই আমরা ২-০ ব্যবধানে জিততে চেয়েছিলাম।”

ডারউইনের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিং ও তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরির। হাসান নেন ৯ উইকেট, আর তানজিদ করেন ১০১ রান। অন্যদিকে মেহেদী হাসান মিরাজও ব্যাট ও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তবে দ্বিতীয় টেস্টে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। ম্যাকেতে বাংলাদেশ দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট হয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রান করে শান্তর দল। ফলে ইনিংস ও ৫১ রানের বড় জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের হয়ে শরীফুল ইসলাম দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন।

বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রশংসাও করেছেন হ্যাজলউড। তাঁর মতে, ডারউইনে শুরু থেকেই বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছিল এবং অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছিল। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাদের কিছুটা সময় লেগেছিল। তবে ম্যাকেতে নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে পেরেছে স্বাগতিকরা।

সিরিজের দুই ম্যাচে হ্যাজলউডও ছিলেন কার্যকর। ডারউইনে প্রথম টেস্টে তিনি নেন ৭ উইকেট। দ্বিতীয় টেস্টেও পান একটি উইকেট।

সিরিজ ড্র হলেও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পেয়েছে দুই দলই। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপ নিয়েই এখন পরবর্তী চ্যালেঞ্জের দিকে তাকাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..