✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহ: যুক্তরাজ্যকে ‘পরিণতি’ ভোগ করার হুমকি রাশিয়ার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৯, | ১১:২৫:৪৮ |

রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলার ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ মস্কো। এসব হামলায় যুক্তরাজ্যের তৈরি ড্রোন ব্যবহৃত হওয়ায় দেশটিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। সোমবার লন্ডনে অবস্থিত রুশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহের কারণে যুক্তরাজ্যকে এর ‘পরিণতি’ ভোগ করতে হবে এবং চরম মূল্য চোকাতে হবে।

দূতাবাসের টেলিগ্রাম বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাজ্য ইচ্ছাকৃতভাবে ইউক্রেন সংকটকে আরও উসকে দিচ্ছে। তারা শান্তির কথা বললেও পকৃতপক্ষে ‘সন্ত্রাসী হামলার’ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। সাবেক রুশ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই ফেদোরভ বিবিসিকে জানান, এই ‘পরিণতি’র মানে হলো যুক্তরাজ্যে হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার গভীরে তেল শোধনাগার এবং লজিস্টিক কেন্দ্রগুলোতে ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মস্কোর মেয়র জানান, ইউক্রেন অন্তত ৬৩৭টি ড্রোন ছুড়েছে, যার মধ্যে ১৯৭টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের দ্য টাইমস পত্রিকার তদন্তে জানা গেছে, এসব হামলায় ব্রিটিশ কোম্পানির তৈরি ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

যদিও ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সরাসরি মুখ খোলেনি, তবে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা ইউক্রেনকে ১০০ ভাগ সমর্থন দিয়ে যাবেন। গত এপ্রিলেও যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার ড্রোনের একটি বড় প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল।

রুশ সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, রাশিয়া যুক্তরাজ্যে হামলা করলেও ন্যাটো কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেবে না। ফেদোরভ বলেন, অনেকেই মনে করছেন ন্যাটো হয়তো শুধু বিবৃতি দিয়ে চুপ থাকবে। ট্রাম্পও ন্যাটোকে বড় কোনো জবাব দিতে দেবেন না। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..