✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল দক্ষিণ আফ্রিকা, ৯০০ জনের বেশি গ্রেফতার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০২, | ১১:০৬:৩৬ |

দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভের জেরে ৯০০ জনের বেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। বেশির ভাগ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হলেও কয়েকটি এলাকায় সহিংসতা, লুটপাট ও গোলাগুলির ঘটনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১ জুলাই) দেশটির পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় মোট ১২০টি বিক্ষোভ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১০৮টি বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই শেষ হলেও বাকি ১২টিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের উপকমিশনার তেবেলো মোসিকিলি জানান, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন, জনসমক্ষে সহিংসতা, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া থাকা অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া এবং ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশের পৃথক এক বিবৃতিতে বলা হয়, মঙ্গলবার গভীর রাতে জোহানেসবার্গের আলেকজান্দ্রা টাউনশিপে গোলাগুলিতে একজন নিহত হন। সেখানে বিদেশি নাগরিকদের মালিকানাধীন ছোট দোকান, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘স্পাজা’ দোকানগুলোতে হামলা ও লুটপাট চালায় একদল বিক্ষোভকারী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ আফ্রিকার নয়টি প্রদেশের মধ্যে পাঁচটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি জোহানেসবার্গের কেন্দ্রস্থল হিলব্রো এলাকায় সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে গোলাগুলিতে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে বন্দরনগরী ডারবানে এক বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্ত করছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, সম্ভাব্য হামলার আতঙ্কে বিক্ষোভের আগের রাতে তিনি একটি ভবনের অষ্টম তলা থেকে লাফ দেন। পরে তার মৃত্যু হয়।

এই বিক্ষোভের পেছনে ছিল অভিবাসীবিরোধী একটি আন্দোলনের ঘোষণা। আন্দোলনকারীরা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত অভিবাসীদের দেশ ছাড়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার দিনই দেশজুড়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

গত কয়েক মাস ধরেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় অভিবাসীবিরোধী উত্তেজনা বাড়ছিল। এ সময় বহু বিদেশি নাগরিককে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়। তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তিতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।

এ পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে।

তথ্য সূত্র- রয়টার্স।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..