পুলিশের উপর হামলা করে আসামি ছিনতাই, গ্রেফতার ৭

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০৯, | ১৮:০২:৪৯ |

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যা মামলার আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী এবং এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এবং র‌্যাব-১, ঢাকার যৌথ অভিযানে কক্সবাজারের সুগন্ধা ও হোটেল-মোটেল জোন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার বিকেলে র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক জানিয়েছেন, ৫ মে রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের চালপাড়া এলাকায় মামলার আসামি শাহীন মিয়াকে গ্রেফতার করতে পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী শামীম ও করিমের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলাকারীরা সরকারি গাড়ি ও মালামাল ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই হামলায় কর্তব্যরত বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটক বেশে আত্মগোপন করে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে যে, আসামিরা কক্সবাজারের কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্টের বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করছে। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১৫ ও র‌্যাব-১ এর চৌকস আভিযানিক দল সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা করে পলাতক ৭ আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন-পরিকল্পনাকারী শামীম মিয়া (৪০),  আব্দুল করিম (৩৫), মো. রুবেল (৩২),  মো. মামুন (৩৮), মো. খালেদ (৪৪), মো. আবুল (৪২), মো. মানিক হোসেন (৪০)। তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দাপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকার বাসিন্দা।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে শামীম মিয়া একজন দুর্ধর্ষ ও তালিকাভুক্ত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা, অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও পুলিশের ওপর হামলাসহ মোট ১০টি গুরুতর মামলা রয়েছে। এছাড়া আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ ৫টি এবং রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্ববর্তী মামলার রেকর্ড রয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..