✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

ওপেকে থাকছে না আরব আমিরাত, তেল রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধাক্কা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৮, | ২১:৩৭:৪১ |
জ্বালানি তেল উত্তোলক ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ‘ওপেক’ এবং ‘ওপেক প্লাস’ থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির এমন সিদ্ধান্তের ফলে জোটের ভেতর বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত জোটটির কার্যত নেতৃত্বদানকারী দেশ সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের আঘাত।

এই সিদ্ধান্ত আগামী ১ মে থেকে কার্যকর হবে। বুধবার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিতব্য ওপেকের বৈঠকের আগে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জোটের বৃহত্তর কাঠামো ওপেকপ্লাস থেকেও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের প্রতিক্রিয়া
রিস্টাডের বিশ্লেষক জর্জ লিওন বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত ওপেকের জন্য বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। সৌদি আরবের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমন কয়েকটি দেশের একটি, যাদের অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে- যার মাধ্যমে জোটটি বাজারে প্রভাব বিস্তার করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতির কারণে স্বল্পমেয়াদে প্রভাব সীমিত থাকতে পারে। তবে ওপেক কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। জোটের বাইরে গেলে ইউএই উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহ ও সক্ষমতা- দুটোই পাবে, যা সৌদি আরবের বাজার নিয়ন্ত্রণের ভূমিকাকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে এবং তেলের বাজার আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।’

আইসিআইএস-এর জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, ‘ওপেকের সামগ্রিক নীতির সঙ্গে ইউএইর মতবিরোধ অনেক দিন ধরেই ছিল। তাই এটি পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদে এর বড় প্রভাব পড়বে। এটি সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী জোটে ফাটলের ইঙ্গিতও দেয়।’

কার্নেগি রাশিয়া ইউরেশিয়া সেন্টারের সের্গেই ভাকুলেঙ্কো বলেন, ‘ইউএই তেল উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছিল, যা ওপেক ও ওপেক প্লাসের সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকে করা কঠিন।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..