✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

রপ্তানি বাড়লেও কমেছে চা পাতার উৎপাদন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০২-২৭, | ১০:৩৫:১২ |

বিশ্ববাজারে বাড়ছে বাংলাদশের চা পাতার রপ্তানি। জাপান, নিউজিল্যান্ড, সাইপ্রাসসহ পৃথিবীর ১৮টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের চা পাতা। তবে উৎপাদন কমেছে ২০২৪ সালে। ২০২৩ সালে উৎপাদন হয়েছিল ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি চা, ২০২৪ সালে কমে হয়েছে নয় কোটি ৩০ লাখ কেজি। বাগান মালিকরা বলছেন, উৎপাদনের চেয়ে এখন বিশ্বমানের চা পাতা উৎপাদন করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিদিন দেশের ১১ কোটি চায়ের কাপে চুমুক দেয় মানুষ। বার্ষিক চাহিদা প্রায় চার হাজার কোটি কাপ।

গত পাঁচ বছরের চা রপ্তানির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে ২১ লাখ কেজি ৩৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ২০২১ সালে ছয় লাখ কেজি ১৮ কোটি পাঁচ লাখ টাকা, ২০২২ সালে সাত লাখ কেজি ১৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, ২০২৩ সালে ১০ লাখ কেজি ২৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা ও ২০২৪ সালে ২৪ লাখ কেজি ৪৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

এর আগে ২০২০ সালে ২১ লাখ কেজি চা রপ্তানি হলেও ২০২১-২২ সালে তা অনেকটা কমে যায়। তবে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে রপ্তানিতে আবার ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

চা বোর্ডের তথ্য বলছে, বর্তমানে পৃথিবীর ১৮টি দেশে চা পাতা রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান, ভারত ও দুবাইয়ের পাশাপাশি চা যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড, জাপান, মারিশাস, ফ্রান্স, সাইপ্রাসেও।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন বলেন, ‘স্টেক হোল্ডার যারা আছে, যারা ব্যবসা করছে তারাও চেষ্টা করছে, আমরা তাদেরকেও অনুরোধ করছি তারা যেন নতুন নতুন দেশগুলোতে রপ্তানির চেষ্টা করে। আর আমাদের দিক থেকে রপ্তানির বিষয়ে ফ্যাসিলিটি দেওয়ার জন্য রেডি আছি এবং মন্ত্রনালয়ও অনেক পজেটিভ।

গবেষণা সংস্থা এনএমএসসির প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক চা পাতার রপ্তানি বাজার প্রায় আট বিলিয়ন ডলার। যেখানে রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০ এরও পরে।

চা প্যাকেটিয়ার্সের সায়েম খাদেম বলেন, বিশ্বমানের চা পাতা উৎপাদন করা এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ফটিকছড়ি চৌধুরী টি এস্টেটের পরিচালক মো. জাহাঙ্গির আলম বলেন, ভালো মানের চা উৎপাদন না হওয়ার কারণ হচ্ছে ওখানে প্লাকিং গ্রাউন্ড হচ্ছে না। ওখানে উৎপাদন হচ্ছে অনেক কিন্তু কোয়ালিটি ধরে রাখতে পারছে না।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে উৎপাদিত চা পাতার বাজার মূল্য প্রায় দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে গুণগত মান না থাকায় নিলামে এ বছর প্রায় ১০ লাখ কেজি চা পাতা থেকে গেছে অবিক্রিত।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..