✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

পোলট্রি খাতে দিনে ৯ কোটি টাকা হাতাচ্ছে সিন্ডিকেট

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০২-২৬, | ১০:০৭:৫৩ |

ঈদ সামনে রেখে অতিরিক্ত দামে মুরগির বাচ্চা বিক্রি করে পোলট্রি খাতের একটি সিন্ডিকেট দিনে ৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। বুধবার (২৬ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযোগ করেন সংগঠনের সভাপতি সুমন হাওলাদার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পোলট্রিশিল্প দেশের অন্যতম প্রধান খাদ্য সরবরাহকারী খাত। কিন্তু বর্তমানে এটি একটি করপোরেট সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে; যা দেশের খামারিদের জন্য এক ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি করেছে। এই সিন্ডিকেটের লক্ষ্য, পোলট্রি বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিদের ব্যবসা ও মুনাফা কমে যাচ্ছে এবং তারা অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সভাপতি সুমন হাওলাদার অভিযোগ করেন, এই করপোরেট সিন্ডিকেটের প্রধান হলো ব্রিডার কোম্পানি ও ফিড ইন্ডাস্ট্রি। ব্রিডার কোম্পানিগুলো কৃত্রিমভাবে মুরগির বাচ্চার দাম বাড়াচ্ছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (ডিএলএস) ব্রয়লার বাচ্চার জন্য ৪৯ টাকা নির্ধারণ করলেও কোম্পানিগুলো ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি করছে। অন্যদিকে লেয়ার বাচ্চা ৫৭ টাকা নির্ধারিত হলেও ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা খামারিদের জন্য ব্যয়বহুল। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং খামারিরা লাভ করতে পারছেন না। এ ছাড়া চাহিদা বাড়ানোর অজুহাতে এই সিন্ডিকেট ইচ্ছাকৃতভাবে সরবরাহ কমিয়ে দেয়, যাতে দাম আরও বাড়ানো যায়। এই কৌশলের মাধ্যমে প্রতিদিন তারা মুরগির বাচ্চা বিক্রি করে প্রায় ৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদ ও অন্য বড় উৎসবগুলো সামনে রেখে এই সিন্ডিকেট মুরগির বাচ্চার দাম বাড়িয়ে দেয়; যা খামারিদের জন্য চাপ হয়ে যায়। যেকোনো বড় উৎসবের সময় খামারিরা বেশি লাভের আশা করেন, কিন্তু সিন্ডিকেট নিজেদের বাড়তি মুনাফার জন্য দাম বাড়িয়ে খামারিদের পকেটে হাত দেয়।

সুমন হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, ফিড ইন্ডাস্ট্রির সিন্ডিকেট খামারিদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্ববাজারে ফিডের দাম কমলেও দেশে কমছে না। ২০২২ সালে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অজুহাতে ফিডের দাম অতিরিক্ত বেড়ে যায়, ফলে খামারিরা অতিরিক্ত খরচ বহন করতে বাধ্য হচ্ছেন। সে সময় প্রতি বস্তা ফিডের দাম ২ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৬০০ টাকা হয়। যেহেতু ডিম বা মুরগি উৎপাদনে ৭০-৭৫ শতাংশ খরচ ফিডে চলে যায়, ফিডের দাম বাড়ার ফলে খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..