বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর রাখাইনে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ওআইসির জোরালো ভূমিকা চায় বাংলাদেশ। এ নিয়ে ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রসমূহের পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন অব দ্য ওআইসি মেম্বার স্টেটস (পিইউআইসি)- এর কার্যকর পদক্ষেপ আশা করে ঢাকা। বাংলাদেশ মনে করে পিইউআইসি প্রতিনিধি দলের সদস্যদেরকে ক্ষমতা দিয়ে নেগোসিয়েশনে পাঠানো হলে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জট খুলতে পারে। বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পিইউআইসি-এর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ড. ওরহান আতালয়ের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের সঙ্গে দেখা করেন। ওই দলে তুরস্ক, ইরান ও উগান্ডার পার্লামেন্ট সদস্যও ছিলেন। সেখানে মন্ত্রী মোমেন এ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওআইসি সদস্যদের কাছে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের চিত্র তুলে ধরেন। পরিদর্শনকারী পিইউআইসি প্রতিনিধিদল মানবিক ভিত্তিতে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আতিথেয়তা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানায় এবং রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশ বর্তমানে কক্সবাজার জেলা ও ভাসানচরে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। সফররত পিইউআইসি প্রতিনিধিদল গত ১৯ ডিসেম্বর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেছেন।
তারা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পও পরিদর্শন করেন এবং ২০শে ডিসেম্বর রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।